শেষ পর্যন্ত বিপদেই পড়লেন ওবায়দুল কাদের

দ্বিতীয় বারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। একই সাথে সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। কিন্তু এখন দলের ভেতরই তাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দলের নেতারা ফি’সফা’সগু’ঞ্জ’নে তার বিভিন্ন ভূ’মিকার স’মা’লো’চনা করছেন।

আর এই স’মা’’লোচনার সূত্রপাত হয়েছে তার ছোট ভাই বসুর হাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ওবায়দুল কাদের মির্জার বিভিন্ন বক্তব্যের সূত্রধরে। তার ছোট ভাইয়েরবক্তব্যের প্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদেরের নী’র’বতা তাকে কা’ঠগ’ড়ায় দা’ড় করিয়েছে। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা প্রশ্ন করেছেন,

‘আবদুল কাদের মির্জা যদি ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই না হতেন,তাহলে কি হতো? তাহলে কি কাদের মির্জা এধরনের বি’ত’র্কি’ত ম’ন্তব্য করার সা’হ’স পে’তে’ন? কিংবা ওবায়দুল কাদেরও কি এভাবে মৌ’নব্র’ত পালন করতেন?’ আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সংগে কথা বলে দেখা গেছে, শুধু মাত্র কাদের মির্জার ই’স্যু নয় বরং সামাজিক সাংগঠনিক ক’র্মকা’ন্ডে দলের সাধারন সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদেরের ভূমিকা নিতে তারা স’মা’লো’চ’নায়ক মু’খর।

আওয়ামী লীগের একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য নাম প্রকাশ না করার শ’র্তে বলেছেন ‘প্রথম মেয়াদে ওবায়দুল কাদের অনেক গ’তি’শী’ল ছিলেন। কিন্তু এই মেয়াদে তিনি নি’স্পৃ’হ। সম্ভবত শা’রি”রী’ক অ’সু’স্থতা’র জন্য তিনি আ’গের মতো কাজ করতে পারছেন না।’ তার মতে ‘এটা দো’ষের নয়, কিন্তু তার স’মা’লো’চনার জন্য তিনি দলের একটা টী’ম করে দিতে পারতেন।

সম্পাদক ম’ন্ডলীকে দায়ি’ত্ব দিয়ে, তিনি প’রা’মর্শ দিতেন। কিন্তু ওবায়দুল এটা করেননি।’ আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা বলেছেন ‘প্রতিদিন কেবল একটি বিবৃতি দেয়া দলের সাধারন সম্পাদকের কাজ নয়।পৌরসভা নির্বাচনে দলের অভ্য’ন্ত’রীন কো’ন্দ’ল, দলের ভেতর অ’নুপ্র’বেশকাী’দের চি’হ্নিত করে তাদের বি’রু’দ্ধে ব্যবস্থা’ গ্রহন। স্থানীয় নির্বাচনে দলকে ঐক্যব’দ্ধ রাখা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ওবায়দুল কাদেরের সী’মাব’দ্ধতা দৃশ্যমান।

তবে, কেউ কেউ মনে করছেন, কাদের মির্জার সাম্প্রতিক বি’স্ফো’র’ক মন্ত’ব্যের প্রেক্ষিতেই ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কথা অ’যৌ’ক্তি’ক। ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের অন্য যেকোন সময়ের সাধারণ সম্পাদকদের চেয়ে বেশী এ’ক’টি’ভ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *